দেখতে দেখতে পুজো চলে এল

দেখতে দেখতে পুজো চলে এল

By Tanmoyee:- দেখতে দেখতে পুজো চলে এল আর কিছুদিন পরই মায়ের আরাধনা শুরু হতে চলেছে। নারীশক্তি সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে অভিজ্ঞতা এবং পুজোর পরিস্থিতি এবং কমিটির ব্যবহার একটু শুনে নেওয়া যাক।এইরকম covid  সিচুয়েশনে দাঁড়িয়ে এই বছরের পুজোর একটু রদবদল ঘটেছে। সময়টা সবারই খারাপ চলছে কিন্তু তাতে কি বাঙালির বড় পূজা দুর্গাপূজা যেটা বছরে একবারই আসে আনন্দ করার একমাত্র সময়। সেটাকে কি আর হাতছাড়া করা যায় ।সবাই  বছরে একবার দূর্গা পূজার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। নতুন পোশাক পরবে নতুন ভাবে সাজবে । সেইরকমই এই বছর পুজোর জার্চ হিসেবে কিছু পুজো মণ্ডপ প্যান্ডেল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা যেমন কিভাবে তারা ব্যবস্থাপনা নিয়েছে কিভাবে পুজো করতে চলেছে কি কি নিয়ম মানতে চলেছে সেগুলো জানতে অনেকেই উৎসাহী হয়ে থাকে।  পুজো করবে কি করবেনা এই সব ভাবতে ভাবতে তারা শেষ পর্যন্ত পুজোর ব্যবস্থা করেই ফেলল।        আমাদের প্রশ্ন ছিল যে অন্যান্য বছরের মতো এই বছর তারা পুজোয় কেমন ধরনের থিম ভেবে রেখেছেন বা করছেন? প্রত্যেকটা পুজোমণ্ডপে প্যান্ডেলের থিম খুবই ভালো তারা covid পরিস্থিতির ওপ র সাধারণ মানুষের অসুবিধা বা covid পরিস্থিতি কাটলে নতুনদিনের কিভাবে শুরু হতে চলেছে সেই রকমই থিম রয়েছে বেশিরভাগ পুজো মণ্ডপে। শুধু তাই নয় অনেক রকম মেটেরিয়াল সহযোগে তারা পুজো মণ্ডপে থিম টা কে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলছেন। এমনকি কোন দর্শনার্থী যদি মাস্ক না ব্যবহার করে থাকেন সেটা কমিটি রা নিজেরাই মাস্ক  দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তারা স্টকে একটা বা দুটো নয় 3000 4000 করে মাস্ক রেডি করে রেখেছেন যাতে যারা মাক্স ব্যাবহারনা করবে তাদেরকে দিতে পারে । স্যানিটাইজার এর ব্যবস্থা রেখেছে শুধু অল্প হাতে স্যানিটাইজার নয় প্রত্যেকটা দর্শনার্থীকে ফুল বডি স্যানিটাইজেশন করাবেন তার সঙ্গে থাকছে থার্মাল চেকিং। Covid -19 প্রটোকল মেনেই যাতে মানুষের কোন ক্ষতি না হয় তাই তারা সবরকম ব্যবস্থা রেখেছেন। প্যান্ডেলে যারা ভলেন্টিয়ার্স থাকবে তারা প্রত্যেকটি পূজামণ্ডপে দশ জনের বেশি ঢুকতে দেবেনা। এই বছর তারা পরিমাণের বেশি ভলেন্টিয়ার রাখছেন যাতে কোনো শোরগোল না হয়। পরিস্থিতি খারাপ না হয় প্রত্যেকটা মানুষ যেন ঠাকুর দেখতে পায় এবং আশীর্বাদ নিতে পারে।         যতগুলো মন্ডপ ঘুরলাম তাতে বোঝা গেল প্রত্যেকটা মন্ডপের কমিটি দের ব্যবহার খুবই ভালো। এখনো কিছু কিছু মন্ডপ এর কাজ চলছে আশা করে যাচ্ছে দু-তিন দিনের মধ্যেই তারা শেষ করে ফেলবে তাদের কাজ। এবং এটাও আশা করা যায় কমিটি তাদের যথা সাধ্য মত চেষ্টা করবে বাহ করছে যাতে কোনো মানুষের কোনোভাবে ক্ষতি না হয় তেমনই প্রত্যেকটা দর্শনার্থীদের উচিত কমিটির কথা শোনা শান্তভাবে ঠাকুর দেখা তারাও যদি কমিটিকে হেল্প করে বেশি ভিড়ভাট্টা চিল্লামিল্লি না ঘরে তাহলে এই বছর ও তাদের পুজোটা ভালোই কাটবে। সবার পূজো খুব ই ভাল কাটবে আশা করা যায়।। কিন্তু এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সবাই খুব ভালভাবে আনন্দ করুক সবাই  ভালো থাকুক। নারী শক্তির পক্ষ থেকে এই আবেদন প্রত্যেকটা দর্শনার্থী র উদ্দেশ্যে বলা।

Entertainment KOLKATA